মন্ত্রীদের রদবদল নিয়ে বেসামাল সরকার

বর্তমান সরকারের মেয়াদের শেষ বর্ষে এসে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল ও সংযোজন ঘটেছে। মহাজোটের শরীক দলের তিন মন্ত্রীর দপ্তর পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন তিন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী যোগ হয়েছে মন্ত্রিসভায়। এ পরিবর্তনের কারণ নিয়ে চলছে নানামুখী বিশ্লেষণ। কেউ কেউ বলছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনকে আরো শক্তিশালী করার অংশ হিসেবেই মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।
অনেকে বলছেন, এ পরিবর্তনের পাশাপাশি ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপিকে বাহিরে রেখে নির্বাচনের পায়তারা চলছে। সে লক্ষে সরকার বিএনপিকে সভা-সমাবেশ করতে বাধা দিচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মামলা-হামলা দিয়ে নির্বাচন থেকে সরিয়ে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় নতুন করে মন্ত্রীসভা সাজাচ্ছে আওয়ামী লীগ।
অন্যদিকে , বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন বিনএপিকে বাহিরে রেখে নির্বাচনের ষড়যন্ত্র সফল হবে না। বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেই। এবং জনসমর্থন নিয়ে আগামীতে সরকার গঠন করবে। ৫ ই জানুয়ারি ছিল রাজনীতির গণহত্যার দিন। এই দিনে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করেছে। তাই বিএনপি এই অন্ধকার থেকে দেশের মানুষকে মুক্তি দিতে চায়। এবং বহির্বিশ্বও বাংলাদেশের মানুষের সাথে আছেন। আন্তর্জাতিক মহল বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায়। সে লক্ষে বিএনপি একটি সুষ্টু নির্বাচনের লক্ষে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে নানা কর্মসূচি দিয়ে আসছে। এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত মঙ্গলবার নতুন তিনমন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেয়ার পর গত বুধবার মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল করেন। এই রদবদলের আগে তিনি কাউকে ঘুণাক্ষরেও বুঝতে দেননি কোন কোন মন্ত্রীর দপ্তর পরিবর্তন করছেন। গতকাল বুধবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আট জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টনের আদেশ জারি হয়।
এতে দেখা গেছে, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে বেসামরিক বিমান চলাচল এবং পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে। জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় পার্টির (এরশাদের) প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়। নতুন শপথ নেয়া ল²ীপুরের সংসদ সদস্য শাহজাহান কামালকে করা হয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল এবং পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। আরেকজন নতুন মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার দায়িত্ব পেয়েছেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের। এ ছাড়া তারানা হালিমকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। মৎস্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে একই মন্ত্রণালয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নতুন শপথ নেয়া কাজী কেরামত আলী পেয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি এবং মাদ্রাসা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে।
সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনে গতিশীলথা আনতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হঠাৎ মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন এনেছেন। মন্ত্রিপরিষদ পরিবর্তনের আগে তার দপ্তরে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে পরিবর্তনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কাউকে কোনো কিছুই বলেননি। মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সংবাদ ব্রিফিং-এ মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রথম এ বিষয়টি জানান। এতে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক রাজনৈতিক দল থেকে দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রীদের দপ্তরই বেশি বদল হয়েছে।
মন্ত্রিসভায় রদবদলের কারণ সম্পর্কে সরকার ও দলের একাধিক দায়িত্বশীল ব্যক্তি নানা তথ্য দিয়েছেন। ভোরের কাগজকে তারা বলেছেন, হঠাৎ করে মন্ত্রিপরিষদের রদবদলের নেপথ্যে ছিল রাজনৈতিক স্বার্থের দ্ব›দ্ব, অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়টি। অন্যদিকে দপ্তর বদল হওয়া মন্ত্রীরা ভোরের কাগজকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। এদিকে, মন্ত্রীদের দপ্তর বদলের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
ভোরের কাগজের অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৪ সালে টানা দ্বিতীয়বার সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাশেদ খান মেননকে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেন। মেননের চার বছরে দেশের প্রধান বিমানবন্দর শাহজালালের নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে একাধিক ঘটনায়। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণ দেখিয়ে যুক্তরাজ্য ২০১৬ সালের মার্চে ঢাকা থেকে আকাশপথে কার্গো বহনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যা এখনও ওঠেনি। কমেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুনাফা। ২০১৬ সালের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী একটি বিমানে যান্ত্রিক ত্রæটির ঘটনাও আলোড়ন তোলে। এছাড়া বিমান মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গেও মেননের বিরোধ ছিল। এ পরিস্থিতিতে গতকাল মেননকে সরিয়ে এ কে এম শাহজাহান কামালকে বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়।
মন্ত্রণালয় পরিবর্তন সম্পর্কে রাশেদ খান মেনন বলেন, শেখ হাসিনা অনেক ‘হিসাব করেই’ মন্ত্রিসভায় রদবদল এনেছেন। আমার জন্য এটি সুখকর। কারণ, আমি আকাশ থেকে একটু মাটিতে নামলাম। সামাজিক কল্যাণের প্রশ্নে একেবারে সাধারণ মানুষের কাছে। তা ছাড়া মন্ত্রিসভার এই সম্প্রসারণ ও পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবে প্রশাসনে গতিশীলতা আনবে। মেননের দপ্তর বদলকে কেউ কেউ ‘অবনমন’ বললেও নতুন সমাজকল্যাণমন্ত্রী বিষয়টি ইতিবাচকভাবেই দেখতে চান। তিনি বলেন, নতুন মন্ত্রণালয়ে প্রান্তিক মানুষের জন্য কাজ করার অনেক জায়গা আছে। গত চার বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মেনন বলেন, আমার পক্ষ থেকে সিভিল এভিয়েশন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে কাজ করা খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল। যখন আমি দায়িত্ব নিয়েছিলাম, তখন অনেকে তাচ্ছিল্য করেছিল। তার সময়ে সিভিল এভিয়েশনের অগ্রগতির বিবরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার পর বিমান পরপর তিনবার লাভ করেছে। অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রীদের যাতায়াত বেড়েছে। এই দপ্তর বদলের পেছনে প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রæটির বিষয়টি কোনো ভ‚মিকা রেখেছে কি নাÑ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওই ঘটনায় তিনটি তদন্ত কমিটি করেছিলাম। কিছু অবহেলার কারণে এটা হয়েছিল। মন্ত্রিসভার রদবদলে কেবল তিন শরিকের পরিবর্তনে জোটে বিরূপ প্রভাব পড়বে কি নাÑ এ প্রশ্নে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন, তেমন কোনো শঙ্কা নেই। এই পরিবর্তনের আভাস আগেই পেয়েছিলেন কি না, এই পরিবর্তনে খুশি কি নাÑ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা যারা রাজনীতি করি তারা সব বিষয়ের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকি।
সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বিমান মন্ত্রণালয়ে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার জন্য একাধিক এমপিকে মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দিলেও কেউ নিতে রাজি হননি। অবশেষে ল²ীপুরের সংসদ সদস্য এ কে এম শাহজাহান কামালকে প্রস্তাব দিলে বিমান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতে রাজি হন তিনি। এই শাহজাহান কামাল ১৯৭৩ সালেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে গতকাল বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সুনামগঞ্জে হাওড়ের বাঁধ ঠিকঠাকভাবে নির্মাণ না করার দায়সহ আরো কিছু কর্মকাÐে তার বদনাম রয়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী তার দপ্তর পরিবর্তন করেছেন। এ বিষয়ে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ কিছু বলবেন না জানিয়ে বলেন, সরকারে ছিলাম, সরকারে আছি।
বন ও পরিবেশমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে দেয়া হয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। অভিযোগ রয়েছে, তিনি অনেকটা সনাতন পদ্ধতিতে রুটিন ওয়ার্ক নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন। জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে তার পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো ছিল না। এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ভোরের কাগজকে বলেন, গতকাল সকালে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কোনো কথা বলেননি, এমনকী ইঙ্গিতও দেননি। বদলের কারণ আমি বলতে পারব না। প্রধানমন্ত্রী সব কিছু নির্ধারণ করেন। কাজেই তিনিই বলতে পারবেন কেন পরিবর্তন করলেন। আমি কোনোদিন অখুশি হই না।
প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী থেকে সরিয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সাবেক অভিনেত্রী তারানা হালিম প্রথমবারের মতো মন্ত্রীত্ব পেয়ে মোবাইলের সিম রেজিস্ট্রেশনে জনগণকে বাধ্য করেন। এই সিম রেজিস্ট্রেশন নিয়ে ভিওআইপি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তারানা হালিমের বিরোধ বাঁধে। পরে বিরোধটি বিটিআরসির চেয়ারম্যান পর্যন্ত গড়ায়। এমনকী টেলিযোগাযোগ খাতে ইনফো সরকার প্রকল্প-৩ নিয়েও বিরোধ বাঁধে। অন্যদিকে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে ৫৭ ধারা এবং ওয়েজবোর্ড নিয়ে সাংবাদিকদের দূরত্ব তৈরি হয়। পাশাপাশি চলচ্চিত্র সমাজ থেকে একজন প্রতিমন্ত্রী দেয়ারও দাবি ওঠে। সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখানে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছন। টেলিকম খাতে যাতে অস্থিরতা না বাড়ে সেজন্য তারানা হালিমকে সরিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন। এতে সাংবাদিক সমাজকে খুশি রেখে ভারসাম্য তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি চলচ্চিত্র সমাজ থেকে একজনকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়ে তাদেরও সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
ডাক টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন মোস্তফা জব্বার। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) তাকে সংবর্ধনা দিয়েছে। অনুষ্ঠানে মোস্তফা জব্বার বলেছেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং আইসিটি বিভাগের মধ্যে ঘুণে ধরা একটি সম্পর্ক ছিল বলেই হয়ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমন একটি দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আশা করি, এ ধরনের কোনো সমস্যা আর থাকবে না।
জানতে চাইলে তারানা হালিম বলেন, আমি কাজ করেছি সত্যের পথে, সততার পথে। টেলিযোগাযোগ খাতের মাফিয়া চক্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। এই যুদ্ধে আমি হার মানিনি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের কাজ শেষ করে এনেছি। স্যাটেলাইট বিষয়ে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করেছি। এরকম পরিস্থিতিতে আমাকে সরিয়ে দেয়াটা মানুষ হিসেবে একটু লাগে। আমি তো ফেরেশতা নই, রক্তে-মাংসে গড়া মানুষ। তিনি প্রশ্ন করেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটসহ আমার হাতে সম্পন্ন করা জিনিসগুলো যখন প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত অন্য কেউ উদ্বোধন করবেন, সেটি যখন আমি দেখব, আমার লাগাটা কি স্বাভাবিক নয়? নতুন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বিষয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের পথ কী হবে, আমি জানি না। তবে প্রধানমন্ত্রীর মুখ উজ্জ্বল করার চেষ্টা করবো।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগে রাজবাড়ি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলীকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই বিভাগে একজন প্রতিমন্ত্রী দিয়ে নুরুল ইসলাম নাহিদের কাজের পরিধি কিছুটা কমানো হলো। তা ছাড়া নূরুল ইসলাম নাহিদ মাদ্রাসা ও কারিগরির বিভিন্ন বিষয় বাস্তবায়ন করতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলছিলেন। প্রয়াত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হকের মৃত্যুতে গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে পদটি শূন্য হয়। ছায়েদুল হকের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি। গতকাল তাকে এই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *